CALL US NOW :

+8801700999222 +8801317772555

MAILING ADDRESS :

info@rmshospitals.com

LOCATION ADDRESS :

20/3 Babor Road, Mohammadpur, Dhaka, Bangladesh, 1207

PCNL Surgery: কিডনি স্টোনের আধুনিক চিকিৎসা, পদ্ধতি ও রিকভারি

প্রকাশের তারিখ: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ লিখেছেন: Royal Multispecialty Hospital (RMSH), মোহাম্মদপুর, ঢাকা

PCNL Surgery কী?

PCNL Surgery-র পূর্ণরূপ Percutaneous Nephrolithotomy। এটি একটি আধুনিক ও ন্যূনতম ছেদনযুক্ত (minimally invasive) অপারেশন, যার মাধ্যমে কিডনির ভেতরের বড় বা জটিল পাথর সরাসরি অপসারণ করা হয়। এখানে “Percutaneous” মানে ত্বকের মধ্য দিয়ে, আর “Nephrolithotomy” মানে কিডনি থেকে পাথর বের করা।

এই পদ্ধতিতে পিঠের পাশে মাত্র প্রায় ১ সেন্টিমিটার একটি ছোট ছিদ্র করা হয়। সেই পথে চিকিৎসক একটি সরু ক্যামেরা-যন্ত্র (Nephroscope) কিডনিতে প্রবেশ করান। এরপর পাথরটি ভেঙে টুকরো করে বের করে আনা হয়। ফলে বড় কাটাছেঁড়া ছাড়াই কিডনি স্টোন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সাধারণত বড় আকারের পাথরের ক্ষেত্রে PCNL Surgery সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতিগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

কখন PCNL সার্জারির প্রয়োজন হয়?

সব কিডনি স্টোনে PCNL লাগে না। ছোট পাথর অনেক সময় পানি ও ওষুধেই বেরিয়ে যায়। তবে নিচের অবস্থাগুলোতে ইউরোলজিস্ট সাধারণত PCNL-এর পরামর্শ দেন:

  • পাথরের আকার ২ সেন্টিমিটারের বেশি হলে
  • স্টাগহর্ন স্টোন (Staghorn Stone) — যে পাথর কিডনির পুরো অংশ জুড়ে হরিণের শিংয়ের মতো ছড়িয়ে থাকে
  • ESWL বা RIRS চিকিৎসায় পাথর না ভাঙলে
  • একসাথে একাধিক বড় পাথর থাকলে
  • খুব শক্ত পাথর, যেমন সিস্টিন বা ক্যালসিয়াম অক্সালেট মনোহাইড্রেট স্টোন, যা শব্দতরঙ্গে সহজে ভাঙে না
  • কিডনির গঠনগত অস্বাভাবিকতা থাকলে, যেমন Horseshoe Kidney বা UPJ Obstruction-এর সাথে পাথর
  • পাথরের কারণে বারবার সংক্রমণ, তীব্র ব্যথা বা 【কিডনিতে পানি জমা (Hydronephrosis)】 হলে
  • অন্য পদ্ধতিতে পাথর বের করা কঠিন হয় এমন অবস্থানে পাথর থাকলে

সুতরাং, পাথরের আকার ২ সেন্টিমিটারের বেশি হলে PCNL Surgery নিয়ে ইউরোলজিস্টের সাথে কথা বলা উচিত।

PCNL-এর আগে কী কী পরীক্ষা করা হয়?

সার্জারির আগে ঝুঁকি কমাতে এবং সঠিক পরিকল্পনা করতে নিচের পরীক্ষাগুলো করা হয়:

  • সিটি স্ক্যান (CT KUB): পাথরের আকার, সংখ্যা, অবস্থান ও কঠিনতা নির্ণয়ে
  • আল্ট্রাসাউন্ড: কিডনির ফোলাভাব ও গঠন দেখতে
  • ইউরিন কালচার: সংক্রমণ আছে কিনা দেখতে (সংক্রমণ থাকলে আগে চিকিৎসা করতে হয়)
  • রক্ত পরীক্ষা: হিমোগ্লোবিন, রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা, কিডনির কার্যক্ষমতা (Creatinine)
  • ECG ও প্রয়োজনে বুকের এক্স-রে: অ্যানেস্থেসিয়ার জন্য শারীরিক উপযুক্ততা যাচাইয়ে

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: আপনি যদি রক্ত পাতলা করার ওষুধ (যেমন অ্যাসপিরিন, ক্লোপিডোগ্রেল, ওয়ারফারিন) খান, তাহলে সার্জারির আগে অবশ্যই চিকিৎসককে জানান। নিজে থেকে ওষুধ বন্ধ করবেন না, চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী করুন।

PCNL সার্জারি ধাপে ধাপে কীভাবে হয়?

PCNL Surgery সাধারণত নিচের ছয়টি ধাপে সম্পন্ন হয়:

১. অ্যানেস্থেসিয়া

সাধারণত জেনারেল অ্যানেস্থেসিয়ায় অপারেশন করা হয়, তাই রোগী সার্জারির সময় কিছুই অনুভব করেন না। কিছু ক্ষেত্রে স্পাইনাল অ্যানেস্থেসিয়াও ব্যবহার করা যায়।

২. ইউরেটারাল ক্যাথেটার স্থাপন

প্রথমে মূত্রনালী দিয়ে একটি সরু ক্যাথেটার কিডনিতে পাঠানো হয়। এটি কিডনিতে তরল পাঠাতে এবং এক্স-রে গাইডেন্সে কিডনির ভেতরের গঠন স্পষ্ট দেখতে সাহায্য করে।

৩. রোগীর পজিশন

এরপর রোগীকে সাধারণত উপুড় (Prone) অবস্থায় রাখা হয়। কিছু কেন্দ্রে চিত (Supine) অবস্থাতেও এই সার্জারি করা হয়, যা রোগীর অবস্থা ও চিকিৎসকের অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে।

৪. কিডনিতে পথ তৈরি (Access)

এক্স-রে বা আল্ট্রাসাউন্ডের গাইডেন্সে পিঠে একটি ছোট ছিদ্র করে কিডনির ভেতরে একটি সরু পথ তৈরি করা হয়।

৫. পাথর ভাঙা ও অপসারণ

সেই পথে নেফ্রোস্কোপ ঢুকিয়ে সরাসরি পাথর দেখা হয়। পাথরটি ভাঙতে লেজার, নিউম্যাটিক বা আল্ট্রাসনিক লিথোট্রিপ্সি ব্যবহার করা হয়। এরপর ভাঙা টুকরোগুলো যন্ত্রের মাধ্যমে বের করে আনা হয়।

৬. শেষ ধাপ ও টিউব স্থাপন

পাথর পুরোপুরি পরিষ্কার হলে চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী একটি নেফ্রোস্টমি টিউব বা DJ স্টেন্ট বসাতে পারেন, যাতে প্রস্রাব স্বাভাবিকভাবে বের হয়। অনেক ক্ষেত্রে আধুনিক “Tubeless PCNL” পদ্ধতিতে নেফ্রোস্টমি টিউবও লাগে না।

পুরো অপারেশনে সাধারণত ১ থেকে ২ ঘণ্টা সময় লাগে, তবে পাথরের জটিলতার উপর এটি কমবেশি হতে পারে।

পুরো অপারেশনে সাধারণত ১ থেকে ২ ঘণ্টা সময় লাগে, তবে পাথরের জটিলতার উপর এটি কমবেশি হতে পারে।

PCNL-এর বিভিন্ন ধরন

প্রযুক্তির উন্নতির ফলে PCNL এখন একাধিক ধরনে করা যায়:

ধরনবৈশিষ্ট্য
Standard PCNLতুলনামূলক বড় পথ (প্রায় ২৪-৩০ Fr), বড় ও জটিল পাথরের জন্য উপযোগী
Mini PCNLছোট পথ (প্রায় ১৪-২০ Fr), রক্তক্ষরণ ও ব্যথা তুলনামূলক কম
Ultra-mini / Micro PCNLআরও সরু পথ, মাঝারি আকারের পাথরের জন্য
Tubeless PCNLঅপারেশনের পর নেফ্রোস্টমি টিউব ছাড়া, ফলে আরামদায়ক রিকভারি
Supine PCNLচিত হয়ে শুয়ে করা, কিছু রোগীর জন্য বেশি আরামদায়ক ও নিরাপদ

কোন ধরন আপনার জন্য উপযুক্ত তা পাথরের আকার, অবস্থান ও আপনার শারীরিক অবস্থা দেখে ইউরোলজিস্ট ঠিক করেন।

PCNL, ESWL ও RIRS-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

অনেকেই কিডনি স্টোনের বিভিন্ন চিকিৎসা নিয়ে বিভ্রান্ত হন। তাই নিচের তুলনাটি দেখুন:

বিষয়PCNLESWLRIRS / URS
পদ্ধতিপিঠে ছোট ছিদ্র করে সরাসরি পাথর অপসারণশরীরের বাইরে থেকে শব্দতরঙ্গ দিয়ে পাথর ভাঙামূত্রনালী দিয়ে সরু যন্ত্র ঢুকিয়ে লেজারে পাথর ভাঙা
কাটাছেঁড়াখুব ছোট ছিদ্র (প্রায় ১ সেমি)কোনো কাটাছেঁড়া নেইকোনো কাটাছেঁড়া নেই
কোন পাথরের জন্যবড় (২ সেমি+) ও জটিল পাথরছোট থেকে মাঝারি (সাধারণত ২ সেমির কম)ছোট থেকে মাঝারি পাথর
একবারে পাথরমুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাসাধারণত বেশিতুলনামূলক কম, একাধিক সেশন লাগতে পারেমাঝারি থেকে ভালো
অ্যানেস্থেসিয়াপ্রয়োজনসাধারণত লাগে না বা হালকাপ্রয়োজন
হাসপাতালে থাকাসাধারণত ১-৩ দিনসাধারণত একই দিনে বাড়িসাধারণত ১ দিন

সংক্ষেপে, বড় ও জটিল পাথরের ক্ষেত্রে PCNL Surgery-ই সাধারণত সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সমাধান।

আজই বিশেষজ্ঞের কাছে PCNL Surgery-র পরামর্শ নিন

বড় কিডনি স্টোন নিয়ে দুশ্চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিলে কিডনি স্থায়ী ক্ষতি থেকে রক্ষা পায় এবং ব্যথা থেকে মুক্তি মেলে। তাই কোমরে ব্যথা, প্রস্রাবে রক্ত বা বারবার সংক্রমণ হলে দেরি না করে Royal Multispecialty Hospital-এ ইউরোলজিস্টের সাথে যোগাযোগ করুন।

Click Here

PCNL Surgery-র সুবিধা

PCNL Surgery-র সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো বড় ও শক্ত পাথরও কম কাটাছেঁড়ায় পরিষ্কার করা যায়। এছাড়াও আরও কিছু সুবিধা রয়েছে:

    • বড় ও শক্ত পাথরও এক বা দুই বৈঠকে পরিষ্কার করার সম্ভাবনা বেশি
    • ওপেন সার্জারির তুলনায় ব্যথা কম এবং ক্ষত ছোট
    • হাসপাতালে থাকার সময় ও রিকভারির সময় কম
    • পাথর সরাসরি দেখে বের করা হয়, তাই পাথরমুক্ত হওয়ার হার (Stone-Free Rate) উচ্চ
    • ওপেন সার্জারির তুলনায় রক্তক্ষরণ ও জটিলতার ঝুঁকি কম

PCNL সার্জারির সম্ভাব্য ঝুঁকি ও জটিলতা

যেকোনো অপারেশনের মতো PCNL-এও কিছু ঝুঁকি থাকে। তবে অভিজ্ঞ ইউরোলজিস্টের হাতে এসব জটিলতা কম হয়।

ধরনবৈশিষ্ট্য
রক্তক্ষরণ:অপারেশনের সময় বা পরে কিছু রক্তক্ষরণ হতে পারে; বিরল ক্ষেত্রে রক্ত দিতে হতে পারে
সংক্রমণ:প্রস্রাবে বা কিডনিতে সংক্রমণ হতে পারে; গুরুতর ক্ষেত্রে রক্তে সংক্রমণ (Sepsis) বিরল
অবশিষ্ট পাথর:কিছু ছোট টুকরো থেকে যেতে পারে, যার জন্য পরে অতিরিক্ত চিকিৎসা লাগতে পারে
প্রস্রাব চুইয়ে পড়া (Urine Leak):সাময়িক হতে পারে
পার্শ্ববর্তী অঙ্গে আঘাত:ফুসফুসের আবরণ, কোলন, প্লীহা বা লিভারের মতো অঙ্গে আঘাত লাগার ঝুঁকি খুবই বিরল

PCNL Surgery-র পর রিকভারি ও যত্ন

PCNL Surgery-র পর সঠিক যত্ন নিলে রিকভারি দ্রুত ও নিরাপদ হয়।

১. হাসপাতালে থাকাকালীন

সাধারণত ১ থেকে ৩ দিন হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। এই সময় প্রস্রাবের রঙ, ব্যথা ও জ্বরের দিকে নজর রাখা হয়। প্রথম ২-৩ দিন প্রস্রাবে হালকা রক্তের দাগ থাকা স্বাভাবিক।

৩. কখন জরুরি চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

  • ১০১°F (৩৮.৩°C)-এর বেশি জ্বর বা কাঁপুনি
  • প্রস্রাবে ক্রমাগত গাঢ় লাল রক্ত বা বড় রক্তের চাকা
  • প্রস্রাব একদম বন্ধ হয়ে যাওয়া
  • তীব্র ব্যথা যা ওষুধে কমছে না
  • ক্ষতস্থান থেকে পুঁজ বা অতিরিক্ত রস বের হওয়া
  • অনবরত বমি

২. বাড়ি ফেরার পর যা মেনে চলবেন

    • পর্যাপ্ত পানি পান করুন। দিনে ২.৫-৩ লিটার, যাতে প্রস্রাব হালকা রঙের থাকে
    • প্রায় ২ সপ্তাহ ভারী জিনিস তোলা ও কঠোর পরিশ্রম এড়িয়ে চলুন
    • চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়মিত খান
    • ক্ষতস্থান শুকনো ও পরিষ্কার রাখুন
    • হালকা হাঁটাচলা করুন, এতে দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়
    • DJ স্টেন্ট বসানো থাকলে নির্ধারিত সময়ে (সাধারণত ২-৪ সপ্তাহ পর) তা অপসারণ করুন। এটি ভুলে গেলে সংক্রমণ বা পাথর তৈরির ঝুঁকি থাকে

    সাধারণত ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যে অধিকাংশ রোগী দৈনন্দিন কাজে ফিরতে পারেন, আর ৪-৬ সপ্তাহে পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবনে ফেরা যায়।

পাথর যেন আবার না হয় — প্রতিরোধের উপায়

PCNL-এর পর পাথর ফিরে আসার ঝুঁকি কমাতে নিচের বিষয়গুলো মেনে চলুন:

  • প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন
  • লবণ ও অতিরিক্ত প্রাণিজ প্রোটিন সীমিত রাখুন
  • অক্সালেটযুক্ত খাবার (পালং শাক, চকলেট, বাদাম) পরিমিত খান
  • সুস্থ ওজন বজায় রাখুন
  • পাথরের ধরন জানতে ল্যাবে পাথর পরীক্ষা করান এবং সে অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস ঠিক করুন
  • নিয়মিত ফলো-আপ আল্ট্রাসাউন্ড করান

কারা PCNL করাতে পারবেন না বা সতর্কতা দরকার?

নিচের অবস্থায় আগে সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে তারপর সার্জারি করা হয়:

  • নিয়ন্ত্রণহীন প্রস্রাবের সংক্রমণ থাকলে
  • রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা (Bleeding Disorder) থাকলে বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খেলে
  • গর্ভাবস্থায়, কারণ এক্স-রে ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে
  • গুরুতর হৃদরোগ বা ফুসফুসের সমস্যা থাকলে, যেখানে অ্যানেস্থেসিয়া ঝুঁকিপূর্ণ
  • মারাত্মক মেরুদণ্ডের বিকৃতি থাকলে

এসব ক্ষেত্রে ইউরোলজিস্ট ঝুঁকি-সুবিধা বিবেচনা করে বিকল্প পদ্ধতির পরামর্শ দেন।

Royal Multispecialty Hospital - RMSH এ PCNL Surgery

Royal Multispecialty Hospital (RMSH)-এ অভিজ্ঞ ইউরোলজিস্ট দের তত্ত্বাবধানে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কিডনির পাথরের নির্ভুল নির্ণয় ও কার্যকর চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়াও, প্রতিটি রোগীর পাথরের আকার ও অবস্থা বিবেচনা করে সবচেয়ে উপযুক্ত পদ্ধতি বেছে নেওয়া হয়, যেন কম ঝুঁকিতে দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়। আপনার জন্য PCNL Surgery সঠিক কিনা, তা বিস্তারিত পরামর্শের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়।

কেন Royal Multispecialty Hospital - RMSH বেছে নেবেন?

  • অভিজ্ঞ ও দক্ষ ইউরোলজিস্ট টিম
  • আধুনিক ডায়াগনস্টিক ও ইমেজিং সুবিধা (আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান)
  • ন্যূনতম ছেদনযুক্ত সার্জারি সুবিধা
  • অপারেশনের আগে-পরে সম্পূর্ণ যত্ন ও কাউন্সেলিং
  • সাশ্রয়ী খরচে মানসম্মত সেবা ও নিয়মিত ফলো-আপ

Royal Multispecialty Hospital - RMSH RMH-এর ঠিকানা ও যোগাযোগ

📍 ইউনিট-১: ২০/৩, বাবর রোড, ব্লক-বি, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭ 

📍 ইউনিট-২: মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ার-১, ৫ম তলা, কলেজ গেট, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭ 

📞 ফোন: +8801700999222/

+8801317772555 (WhatsApp/Imo)

📧 ইমেইল: info@rmshospitals.com

Facebook | YouTube | Tiktok

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

PCNL হলো পিঠে একটি ছোট ছিদ্র করে কিডনির বড় বা জটিল পাথর সরাসরি ভেঙে বের করে আনার একটি আধুনিক ন্যূনতম ছেদনযুক্ত অপারেশন। সাধারণত ২ সেন্টিমিটারের বেশি আকারের পাথর বা স্টাগহর্ন স্টোনের জন্য এটি করা হয়।

অপারেশনের সময় অ্যানেস্থেসিয়ার কারণে কোনো ব্যথা অনুভূত হয় না। অপারেশনের পর কয়েকদিন ছিদ্রের স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা থাকতে পারে, যা ব্যথানাশক ওষুধে নিয়ন্ত্রণে আসে।

সাধারণত ১ থেকে ২ ঘণ্টা সময় লাগে। তবে পাথরের আকার ও জটিলতা অনুযায়ী এটি কমবেশি হতে পারে।

অধিকাংশ রোগীকে ১ থেকে ৩ দিন হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। Tubeless PCNL হলে অনেক সময় আরও আগে ছাড়া পাওয়া যায়।

সাধারণত ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যে অফিস বা দৈনন্দিন হালকা কাজে ফেরা যায়। তবে ভারী কাজ ও কঠোর ব্যায়াম অন্তত ২ সপ্তাহ এড়িয়ে চলতে হয়।

এটি পাথরের আকার ও ধরনের উপর নির্ভর করে। ছোট থেকে মাঝারি পাথরে ESWL কার্যকর হতে পারে। অন্যদিকে, বড় (২ সেমি+) ও শক্ত পাথরে PCNL সাধারণত বেশি কার্যকর ও একবারে পাথরমুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

হ্যাঁ, পাথর পুনরায় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে পর্যাপ্ত পানি পান, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এবং নিয়মিত ফলো-আপের মাধ্যমে এর ঝুঁকি অনেক কমানো যায়।

অভিজ্ঞ ইউরোলজিস্ট ও আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালে করা হলে PCNL একটি নিরাপদ ও কার্যকর পদ্ধতি। অন্য যেকোনো সার্জারির মতোই সামান্য ঝুঁকি থাকলেও, বড় পাথরের জন্য এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি প্রমাণিত চিকিৎসা।

Royal Multispecialty Hospital (RMSH), মোহাম্মদপুর, ঢাকায় অভিজ্ঞ ইউরোলজিস্টদের তত্ত্বাবধানে কিডনি স্টোনের জন্য PCNL সার্জারির পরামর্শ ও চিকিৎসা নেওয়া যায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top